Header Ads

মুসলিমদের রব কে ? please must see

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীমমুসলিমদের মাবুদ কে?শিরোনাম:মুসলিমদের মাবুদ কে?মুফতী:মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদঅনুবাদক:সানাউল্লাহ নজির আহমদসম্পাদক:আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়াপ্রকাশনায়:www.islamqa.info-ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদসংক্ষিপ্ত বর্ণনা:জনৈক অমুসলিম কিশোরীর প্রশ্ন: মুসলিমদের মাবুদ কে? এ ফতোয়ায় তার উত্তর প্রদান করা হয়েছে।সংযোজন তারিখ:2013-12-09শর্ট লিংক:http://IslamHouse.com/450520মুসলিমদের মাবুদ কে?প্রশ্ন: জনৈক অমুসলিম কিশোরীরপ্রশ্ন: মুসলিমদের মাবুদ কে?উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ।উত্তর দেওয়ার পূর্বে আমাদের অবাকের কথা জানাচ্ছি যে, অল্প বয়স সত্যেও ইসলামের প্রতি তোমার গুরুত্বারোপের ফলে হয়তো আল্লাহ তা‘আলা তোমার সামনে কল্যাণের মহান দ্বার উন্মুক্ত করে দিবেন, তোমাকে হিদায়েতের তৌফিক দিবেন, যা তোমার কল্পনাতেও ছিল না, এ প্রশ্নের সাহসিকতা তারই প্রমাণ বহন করে।আল্লাহ তা‘আলাবলেন:﴿ذَٰلِكَ هُدَى ٱللَّهِ يَهۡدِي بِهِۦ مَن يَشَآءُ مِنۡ عِبَادِهِۦۚ ٨٨ ﴾ ]الانعام: ٨٨[ “এ হচ্ছে আল্লাহর হিদায়েত, এ দ্বারা তিনি নিজ বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা হিদায়েতকরেন”।[1]অপর আয়াতে তিনি বলেন:﴿فَمَن يُرِدِ ٱللَّهُ أَن يَهۡدِيَهُۥ يَشۡرَحۡ صَدۡرَهُۥ لِلۡإِسۡلَٰمِۖ ١٢٥ ﴾ ]الانعام: ١٢٥[ “সুতরাং যাকে আল্লাহ হিদায়েত করতে চান, ইসলামের জন্য তার বুক উন্মুক্ত করে দেন”।[2]“মুসলিমরা কার ইবাদত করে” তোমার এ প্রশ্নের উত্তরে কুরআনুল কারিমের আয়াত পেশ করছি যা ইসলামের মৌলিক গ্রন্থ, অনুরূপভাবে তার উত্তরইসলামের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী থেকে প্রদান করছি, যার শব্দ ও অর্থ তার রবের পক্ষ থেকে তার নিকট অহি করা হয়েছে।আল্লাহ তা‘আলা বলেন:﴿بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ١ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٣ مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ٤ إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥ ﴾ ]الفاتحة: ١، ٥[ “পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব। দয়াময়, পরম দয়ালু,বিচার দিবসের মালিক। আপনারই আমরা ইবাদত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই”।[3]অপর আয়াতে তিনি ইরশাদ করেন:﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱعۡبُدُواْ رَبَّكُمُ ٱلَّذِي خَلَقَكُمۡ وَٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُونَ ٢١ ﴾ ]البقرة: ٢١[ “হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবেরইবাদত কর, যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর”।[4]অপর আয়াতে তিনি বলেন:﴿ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمۡۖ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ خَٰلِقُ كُلِّ شَيۡءٖ فَٱعۡبُدُوهُۚ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ وَكِيلٞ ١٠٢ ﴾ ]الانعام: ١٠٢[ “তিনিই আল্লাহ, তোমাদের রব। তিনি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই। তিনি প্রতিটি জিনিসের স্রষ্টা, সুতরাং তোমরা তাঁর ইবাদত কর। আর তিনি প্রতিটি জিনিসের উপর তত্ত্বাবধায়ক”।[5]অপর আয়াতে তিনি বলেন:﴿وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعۡبُدُوٓاْ إِلَّآ إِيَّاهُ وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَٰنًاۚ إِمَّا يَبۡلُغَنَّ عِندَكَ ٱلۡكِبَرَ أَحَدُهُمَآ أَوۡ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَآ أُفّٖ وَلَا تَنۡهَرۡهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوۡلٗا كَرِيمٗا ٢٣ ﴾ ]الاسراء: ٢٣[ “আর তোমার রব আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তাকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতার সাথে সদাচারণ করবে।তাদের একজন অথবা উভয়ে যদি তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে ‘উফ’ বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না।আর তাদের সাথে সম্মানজনক কথা বল”।[6]অতএবমুসলিমরাতাঁরই ইবাদতকরে,যারইবাদতকরেছেসকলনবীওরাসূলগণ।আল্লাহতা‘আলা বলেন:﴿أَمۡ كُنتُمۡ شُهَدَآءَ إِذۡ حَضَرَ يَعۡقُوبَ ٱلۡمَوۡتُ إِذۡ قَالَ لِبَنِيهِ مَا تَعۡبُدُونَ مِنۢ بَعۡدِيۖ قَالُواْ نَعۡبُدُ إِلَٰهَكَ وَإِلَٰهَ ءَابَآئِكَ إِبۡرَٰهِۧمَ وَإِسۡمَٰعِيلَ وَإِسۡحَٰقَ إِلَٰهٗا وَٰحِدٗا وَنَحۡنُ لَهُۥ مُسۡلِمُونَ ١٣٣ ﴾ ]البقرة: ١٣٣[ “নাকি তোমরা সাক্ষী ছিলে, যখন ইয়াকুবের নিকট মৃত্যু উপস্থিত হয়েছিল? যখন সে তাদের সন্তানদেরকে বলল, ‘আমার পর তোমরা কার ইবাদত করবে’? তারা বলল, ‘আমরা ইবাদত করব আপনার ইলাহের, আপনার পিতৃপুরুষ ইবরাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের ইলাহের, যিনি এক ইলাহ। আর আমরাতারই অনুগত”।[7]মুসলিমরা আল্লাহর ইবাদত করে এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরকে কেবল এক আল্লাহর ইবাদত করার প্রতি আহ্বান করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:﴿قُلۡ يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ تَعَالَوۡاْ إِلَىٰ كَلِمَةٖ سَوَآءِۢ بَيۡنَنَا وَبَيۡنَكُمۡ أَلَّا نَعۡبُدَ إِلَّا ٱللَّهَ وَلَا نُشۡرِكَ بِهِۦ شَيۡٔٗا وَلَا يَتَّخِذَ بَعۡضُنَا بَعۡضًا أَرۡبَابٗا مِّن دُونِ ٱللَّهِۚ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَقُولُواْ ٱشۡهَدُواْ بِأَنَّا مُسۡلِمُونَ ٦٤ ﴾ ]ال عمران: ٦٤[ “বল, ‘হে কিতাবিগণ, তোমরা এমন কথার দিকে আস, যেটি আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান যে, আমরা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত না করি। আর তার সাথে কোনো কিছুকে শরীক না করি এবং আমাদের কেউ কাউকে আল্লাহ ছাড়া রব হিসাবে গ্রহণ না করি’। তারপর যদি তারা বিমুখ হয় তবে বল, ‘তোমরা সাক্ষী থাক যে, নিশ্চয় আমরা মুসলিম”।[8]আল্লাহ এক, তার কোনো শরীক নেই।নূহ আলাইহিস সালাম স্বীয় কওমকে তাঁর ইবাদতের দিকেই আহ্বান করেছেন। আল্লাহ তা‘আলাবলেন:﴿لَقَدۡ أَرۡسَلۡنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوۡمِهِۦ فَقَالَ يَٰقَوۡمِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنۡ إِلَٰهٍ غَيۡرُهُۥٓ إِنِّيٓ أَخَافُ عَلَيۡكُمۡ عَذَابَ يَوۡمٍ عَظِيمٖ ٥٩ ﴾ ]الاعراف: ٥٨[ “আমি তো নূহকে তার কওমের নিকট প্রেরণ করেছি। অতঃপর সে বলেছে, ‘হে আমার কওম, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর। তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো (সত্য) ইলাহ নেই।নিশ্চয় আমি তোমাদের মহাদিনের আযাবের ভয় করছি”।[9]ঈসা আলাহিস সালামও এক আল্লাহরইবাদতের দিকেই আহ্বান করেছেন,আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:﴿لَقَدۡ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓاْ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلۡمَسِيحُ ٱبۡنُ مَرۡيَمَۖ وَقَالَ ٱلۡمَسِيحُ يَٰبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمۡۖ إِنَّهُۥ مَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدۡ حَرَّمَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِ ٱلۡجَنَّةَ وَمَأۡوَىٰهُ ٱلنَّارُۖ وَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ أَنصَارٖ ٧٢ ﴾ ]المائدة: ٧٢[ “অবশ্যই তারা কুফরি করেছে, যারা বলেছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন মারইয়াম পুত্র মসীহ’। আর মসীহ বলেছে, ‘হে বনী ইসরাইল, তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর ইবাদত কর’। নিশ্চয় যে আল্লাহর সাথে শরীক করে, তার উপর অবশ্যই আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার ঠিকানা আগুন। আর যালিমদের কোনো সাহায্যকারী নেই”।[10]অপর আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন:﴿وَإِذۡ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَى ٱبۡنَ مَرۡيَمَ ءَأَنتَ قُلۡتَ لِلنَّاسِ ٱتَّخِذُونِي وَأُمِّيَ إِلَٰهَيۡنِ مِن دُونِ ٱللَّهِۖ قَالَ سُبۡحَٰنَكَ مَا يَكُونُ لِيٓ أَنۡ أَقُولَ مَا لَيۡسَ لِي بِحَقٍّۚ إِن كُنتُ قُلۡتُهُۥ فَقَدۡ عَلِمۡتَهُۥۚ تَعۡلَمُ مَا فِي نَفۡسِي وَلَآ أَعۡلَمُ مَا فِي نَفۡسِكَۚ إِنَّكَ أَنتَ عَلَّٰمُ ٱلۡغُيُوبِ ١١٦ مَا قُلۡتُ لَهُمۡ إِلَّا مَآ أَمَرۡتَنِي بِهِۦٓ أَنِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمۡۚ وَكُنتُ عَلَيۡهِمۡ شَهِيدٗا مَّا دُمۡتُ فِيهِمۡۖ فَلَمَّا تَوَفَّيۡتَنِي كُنتَ أَنتَ ٱلرَّقِيبَ عَلَيۡهِمۡۚ وَأَنتَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ شَهِيدٌ ١١٧ ﴾ ]المائدة: ١١٦، ١١٧[ “আর আল্লাহ যখন বলবেন, ‘হে মারইয়ামের পুত্র ঈসা, তুমি কি মানুষদেরকে বলেছিলে যে, ‘তোমরা আল্লাহ ছাড়া আমাকে ও আমার মাতাকে ইলাহরূপে গ্রহণ কর?’ সে বলবে, ‘আপনি পবিত্র মহান, যার অধিকার আমার নেই তা বলা আমার জন্য সম্ভব নয়। যদি আমি তা বলতাম তাহলে অবশ্যই আপনি তা জানতেন। আমার অন্তরে যা আছে তা আপনি জানেন, আর আপনার অন্তরে যা আছে তা আমি জানি না; নিশ্চয় আপনি গায়েবী বিষয়সমূহে সর্বজ্ঞাত’।‘আমি তাদেরকে কেবল তাই বলেছি, যা আপনি আমাকে আদেশ করেছেন যে, তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর ইবাদত কর। আর যতদিন আমি তাদের মধ্যে ছিলাম ততদিন আমি তাদের উপর সাক্ষী ছিলাম। অতঃপর যখন আপনি আমাকে উঠিয়ে নিলেন তখন আপনি ছিলেন তাদের পর্যবেক্ষণকারী। আর আপনি সব কিছুর উপর সাক্ষী”।[11]মুসা আলাহিস সালামের সাথে কথার সময় আল্লাহ তাকে বলেন:﴿إِنَّنِيٓ أَنَا ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعۡبُدۡنِي وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِذِكۡرِيٓ ١٤ ﴾ ]طه: ١٤[ “নিশ্চয় আমি আল্লাহ, আমি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই; সুতরাং আমার ইবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম কর”।[12]আল্লাহ্‌ তা‘আলা তার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নির্দেশ প্রদান করেন:﴿قُلۡ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِن كُنتُمۡ فِي شَكّٖ مِّن دِينِي فَلَآ أَعۡبُدُ ٱلَّذِينَ تَعۡبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَلَٰكِنۡ أَعۡبُدُ ٱللَّهَ ٱلَّذِي يَتَوَفَّىٰكُمۡۖوَأُمِرۡتُ أَنۡ أَكُونَ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ ١٠٤﴾]يونس : ١٠٤[ “বল, ‘হে মানুষ, তোমরা যদি আমার দীনের ব্যাপারে সন্দেহে থাক, তবে আল্লাহ ছাড়া তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত করি না, বরং আমি ইবাদত করি আল্লাহর, যিনি তোমাদের মৃত্যুদেন। আর আমি আদিষ্ট হয়েছি মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার”।[13]আসমানের মালায়েকাও তার ইবাদত করে, তার সাথে কাউকে তারা শরীককরে না, যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:﴿وَلَهُۥ مَن فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَمَنۡ عِندَهُۥ لَا يَسۡتَكۡبِرُونَ عَنۡ عِبَادَتِهِۦ وَلَا يَسۡتَحۡسِرُونَ ١٩ ﴾ ]الانبياء: ١٩[ “আর আসমান-জমিনে যারা আছে তারাসবাই তাঁর; আর তাঁর কাছে যারা আছে তারা অহঙ্কারবশতঃ তাঁর ইবাদত হতে বিমুখ হয় না এবং ক্লান্তিও বোধ করে না”।[14]আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য উপকারও অপকার এবং সৃষ্টি ও রিজিকের মালিক নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:﴿قُلۡ أَتَعۡبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَمۡلِكُلَكُمۡ ضَرّٗا وَلَا نَفۡعٗاۚ وَٱللَّهُ هُوَ ٱلسَّمِيعُٱلۡعَلِيمُ ٧٦ ﴾ ]المائدة: ٧٦[ “বল, ‘তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া এমন কিছুর ইবাদত করবে, যা তোমাদের জন্য কোন ক্ষতি ও উপকারের ক্ষমতা রাখে ন

No comments

Powered by Blogger.